বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:১৭ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English
সংবাদ শিরোনাম
এই মাত্র পওয়া
Wellcome to our website...
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেক খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনকে আটক
/ ৪২০ জন পড়েছেন
প্রকাশিত সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০, ১০:২০ অপরাহ্ন

নিউজ ডেস্ক :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেক খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। কলকাতা সূত্র জানায় কাছাকাছি কোনো একটা সময়ে চব্বিশ পরগনার বনগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। গত চল্লিশ বছর যাবৎ তিনি সেখানেই বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।

কলকাতা সূত্র জানায় মোসলেহ উদ্দিন বনগ্রামে ডাক্তার দত্ত নাম হোমিওপ্যাথির চিকিৎসক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। গাইঘাটার ঠাকুরনগর রেল স্টেশনের পাশে “ ইউনানী ফার্মেসী” নামে তার একটা দোকান ছিল ।
সম্প্রতি ফাঁসি কার্যকর হওয়া আরেক খুনী ক্যাপ্টেন ( বরখাস্ত) মাজেদের সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

আরেকটি সূত্র জানায় তিনিও ক্যাপ্টেন বরখাস্ত মাজেদের সাথে বাংলাদেশে এসেছিলেন। মাজেদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকা থেকেই তাকে আটক করা হয়েছে
বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হবার পর গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেহউদ্দীন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানায়। এসময় গোয়েন্দারা মোসলেমউদ্দীনের স্ত্রী ও সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় গোয়েন্দারা। তবে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হন মোসলেম উদ্দীন। উত্তর চব্বিশ পরগনার ঠাকুরনগর রেলস্টেশন এলাকায় অপরিচিত কিছু ব‌্যক্তির সাথে তাকে সর্বশেষ দেখা যায়।সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মোসলেমউদ্দীন গোবরডাঙ্গার ঠাকুরনগর এলাকার চাঁদপাড়া রোডের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। এই এলাকায় ডাক্তার দত্ত নামে পরিচিত ছিলেন এবং ”ইউনানী ফার্মাসী” নামে একটি প্রতিষ্টানে আয়ুর্বেদ ও হোমিও চিকিৎসা করতেন। ঠাকুরনগর রেলস্টেশনের এক নম্বর প্লাটফরমের পিছনে একটি বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ওই বাড়ির একটি মেয়েকে তিনি নিজ খরচে বিয়ে দিয়ে সহযোগিতা করেন।এই এলাকায় প্রায় ৪০বছর ধরে বসবাস করছিলেন মোসলেমউদ্দীন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। যে কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা এই হত্যাকা-ের মিশনে অংশ নেয় তার মধ্যে রিসালদার মোসলেমউদ্দিন অন্যতম। গুলির শব্দ শুনে বঙ্গবন্ধু যখন বিষয়টি জানার জন্য নিচে নামছিলেন সেই সময় সিঁড়িতে বঙ্গবন্ধুকে নিজহাতে গুলি করে হত্যা করে এই মোসলেমউদ্দীন।

এরপর অন্য খুনীদের সাথে তিনিও বঙ্গভবনে দায়িত্বপালন করেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর তাকে তেহরান ও জেদ্দা দূতাবাসে দায়িত্ব দিয়ে পাঠান। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর অন্য খুনীদের সাথে তিনিও দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ড হয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যান। এরপর জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। তার কয়েকবছর পর চলে আসেন ভারতে এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার ঠাকুরনগর এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

সূত্রটি জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সে বাংলাদেশে গিয়ে পরিবারের সাথে কয়েকদিন ছিল।

সুত্র – বাংলা বার্তা

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
লাইক পেইজ